রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

নির্বাচনে অংশ নিতে হলে ছাড়তে হবে চাকরি: শিক্ষামন্ত্রী


মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ
মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ সহ-সম্পাদক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

নির্বাচনে অংশ নিতে হলে ছাড়তে হবে চাকরি: শিক্ষামন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে সরকারকে সুনির্দিষ্ট আইন করার অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো শিক্ষক যদি নির্বাচনে অংশ নিতেই চান, তবে তাকে প্রথমে চাকরি ছেড়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, আগামী দিনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে শিক্ষকরা যেন অংশগ্রহণ না করেন, সরকার যেন সে ব্যাপারে একটি আইন তৈরি করে। তিনি মনে করেন, শিক্ষকদের মূল কাজ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নির্বাচনী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়।

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "কনস্টিটিউশনাল প্রভিশনে (সাংবিধানিক বিধানে) এটা নেই, কারণ নির্বাচন সকলে করতে পারবে।" তবে সংবিধানের ব্যত্যয় না ঘটিয়েও এর একটি বিকল্প সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। ড. মিলন বলেন, "একটা ডিরেক্ট রেগুলেশন (সরাসরি নির্দেশনা) নির্বাচন কমিশনের তো হতে পারে, যেটা আইনকে কখনো ব্যত্যয় ঘটায় না।"

শিক্ষা খাতের গুণগত মান বজায় রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "এই ধরনের যদি একটি নিষেধাজ্ঞা থাকে, তাহলে শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের যে আমাদের প্রয়োজন—সেটা থাকবে।" অর্থাৎ, শিক্ষকরা রাজনীতি বা নির্বাচনের পেছনে সময় নষ্ট না করে পূর্ণ মনোযোগ শিক্ষাদানে দিতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য দেশের শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহলের ধারণা, এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় একটি পরিবর্তন আসতে পারে।


এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


নির্বাচনে অংশ নিতে হলে ছাড়তে হবে চাকরি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ণ

featured Image

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে সরকারকে সুনির্দিষ্ট আইন করার অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো শিক্ষক যদি নির্বাচনে অংশ নিতেই চান, তবে তাকে প্রথমে চাকরি ছেড়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, আগামী দিনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে শিক্ষকরা যেন অংশগ্রহণ না করেন, সরকার যেন সে ব্যাপারে একটি আইন তৈরি করে। তিনি মনে করেন, শিক্ষকদের মূল কাজ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নির্বাচনী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়।

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "কনস্টিটিউশনাল প্রভিশনে (সাংবিধানিক বিধানে) এটা নেই, কারণ নির্বাচন সকলে করতে পারবে।" তবে সংবিধানের ব্যত্যয় না ঘটিয়েও এর একটি বিকল্প সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। ড. মিলন বলেন, "একটা ডিরেক্ট রেগুলেশন (সরাসরি নির্দেশনা) নির্বাচন কমিশনের তো হতে পারে, যেটা আইনকে কখনো ব্যত্যয় ঘটায় না।"

শিক্ষা খাতের গুণগত মান বজায় রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "এই ধরনের যদি একটি নিষেধাজ্ঞা থাকে, তাহলে শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের যে আমাদের প্রয়োজন—সেটা থাকবে।" অর্থাৎ, শিক্ষকরা রাজনীতি বা নির্বাচনের পেছনে সময় নষ্ট না করে পূর্ণ মনোযোগ শিক্ষাদানে দিতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য দেশের শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহলের ধারণা, এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় একটি পরিবর্তন আসতে পারে।



ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নির্বাচনে অংশ নিতে হলে ছাড়তে হবে চাকরি: শিক্ষামন্ত্রী
0:00 / 0:00
1x