নেত্রকোণার সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)।
সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জোরদার টহল ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার ফলে সম্প্রতি একটি সম্ভাব্য পুশ-ইনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী।
বুধবার (১ জুলাই) দুর্গাপুর উপজেলার মাধুপাড়া বিওপি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৩১ বিজিবির দায়িত্বাধীন ৯২ কিলোমিটার সীমান্তের দুর্বল পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে সেখানে ২৪ ঘণ্টা টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় গ্রামবাসী ও আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সহযোগিতায় সীমান্ত নিরাপত্তা আরও কার্যকর করা হচ্ছে। নজরদারির অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা, মেগাফোন, টর্চলাইট এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে সীমান্তে বিজিবির সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
অধিনায়ক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তের ওপারে পাতলাবন এলাকার শীতারাম বালি স্কুলে ১০ থেকে ১৫ জন বাংলাদেশিকে কয়েক দিন ধরে জড়ো করেছিল।
তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সতর্ক নজরদারির কারণে সম্ভাব্য পুশ-ইনের সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং পরে তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।
মাদক ও চোরাচালান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে মদ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, ট্যাপেন্টাডল, গাঁজা, গবাদিপশুসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী অবৈধভাবে পাচারের চেষ্টা হয়। এসব অপরাধ দমনে ৩১ বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের গত ছয় মাসে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে ৩১ বিজিবি।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
(অনলাইন)
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণার সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)।
সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জোরদার টহল ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার ফলে সম্প্রতি একটি সম্ভাব্য পুশ-ইনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী।
বুধবার (১ জুলাই) দুর্গাপুর উপজেলার মাধুপাড়া বিওপি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৩১ বিজিবির দায়িত্বাধীন ৯২ কিলোমিটার সীমান্তের দুর্বল পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে সেখানে ২৪ ঘণ্টা টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় গ্রামবাসী ও আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সহযোগিতায় সীমান্ত নিরাপত্তা আরও কার্যকর করা হচ্ছে। নজরদারির অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা, মেগাফোন, টর্চলাইট এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে সীমান্তে বিজিবির সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
অধিনায়ক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তের ওপারে পাতলাবন এলাকার শীতারাম বালি স্কুলে ১০ থেকে ১৫ জন বাংলাদেশিকে কয়েক দিন ধরে জড়ো করেছিল।
তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সতর্ক নজরদারির কারণে সম্ভাব্য পুশ-ইনের সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং পরে তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।
মাদক ও চোরাচালান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে মদ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, ট্যাপেন্টাডল, গাঁজা, গবাদিপশুসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী অবৈধভাবে পাচারের চেষ্টা হয়। এসব অপরাধ দমনে ৩১ বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের গত ছয় মাসে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে ৩১ বিজিবি।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
(অনলাইন)
