নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে খাগড়াছড়িতে সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় গিয়ে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ এবং বাল্যবিবাহ রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌর প্রশাসক রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুষ্মিতা খীসা, নারী নেত্রী নমিতা চাকমা, জাবারাং নারী কল্যাণ সমিতির কর্মী পিংকি বড়ুয়াসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে খাগড়াছড়িতে সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় গিয়ে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ এবং বাল্যবিবাহ রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌর প্রশাসক রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুষ্মিতা খীসা, নারী নেত্রী নমিতা চাকমা, জাবারাং নারী কল্যাণ সমিতির কর্মী পিংকি বড়ুয়াসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
