দিবসের শুরুতে পৌরশহরের নয়ানপুর আদিবাসী অফিস নিজস্ব কার্যালয় থেকে আদিবাসী নেতাকর্মী নারী পুরুষ ও ছাত্র- ছাত্রীরা একটি র্যালী করে উপজেলার শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
রাণীশংকৈল উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতি সাবেক সভাপতি গোপাল মুরমু সুগার সভাপতিত্বে এইসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা সমাজকল্যাণ (অফিসার) মোঃ আব্দুর রহিম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা (ইএসডিও) থ্রাইভ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মোছা: আরফিনা আক্তার, আদিবাসী সংগঠনের নেতা, সিংরাই সরেন, কবিরাজ মুরমু এবং জোসেফ সরেন প্রমূখ।
এতে অন্যান্যদের মধ্যে রাণীশংকৈল উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতি সহ সভাপতি শান্ত পাহান, সদস্য কান্ত পাহান, ইএসডিও থ্রাইভ প্রকল্পের কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসার, মোঃ ফজলু ইসলাম, এবং কমিটি ইএসডিও থ্রাইভ প্রকল্প কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসারসহ কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ গণঅভ্যুত্থান। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, জমিদারি শোষণ এবং মহাজনী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তোলে।
বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন সিধু মুর্মু, কানু মুর্মু, চাঁদ মুর্মু ও ভৈরব মুর্মু। তাঁদের আত্মত্যাগ আজও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে শহীদ সাঁওতাল বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ণ
দিবসের শুরুতে পৌরশহরের নয়ানপুর আদিবাসী অফিস নিজস্ব কার্যালয় থেকে আদিবাসী নেতাকর্মী নারী পুরুষ ও ছাত্র- ছাত্রীরা একটি র্যালী করে উপজেলার শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
রাণীশংকৈল উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতি সাবেক সভাপতি গোপাল মুরমু সুগার সভাপতিত্বে এইসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা সমাজকল্যাণ (অফিসার) মোঃ আব্দুর রহিম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা (ইএসডিও) থ্রাইভ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মোছা: আরফিনা আক্তার, আদিবাসী সংগঠনের নেতা, সিংরাই সরেন, কবিরাজ মুরমু এবং জোসেফ সরেন প্রমূখ।
এতে অন্যান্যদের মধ্যে রাণীশংকৈল উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতি সহ সভাপতি শান্ত পাহান, সদস্য কান্ত পাহান, ইএসডিও থ্রাইভ প্রকল্পের কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসার, মোঃ ফজলু ইসলাম, এবং কমিটি ইএসডিও থ্রাইভ প্রকল্প কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসারসহ কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ গণঅভ্যুত্থান। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, জমিদারি শোষণ এবং মহাজনী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তোলে।
বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন সিধু মুর্মু, কানু মুর্মু, চাঁদ মুর্মু ও ভৈরব মুর্মু। তাঁদের আত্মত্যাগ আজও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে শহীদ সাঁওতাল বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
