চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ নুরুল আলম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং হেফাজতে নেওয়ার পর তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন মহলে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যেকোনো নাগরিককে আইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করা হলেও হেফাজতে তার জীবন ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের।
একের পর এক এমন ঘটনা দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলছে এবং এতে আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন মহল ও নিহতের সহযোদ্ধারা অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ নুরুল আলম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং হেফাজতে নেওয়ার পর তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন মহলে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যেকোনো নাগরিককে আইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করা হলেও হেফাজতে তার জীবন ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের।
একের পর এক এমন ঘটনা দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলছে এবং এতে আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন মহল ও নিহতের সহযোদ্ধারা অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
