রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

রাশিয়ায় চাকরির লোভ দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রফিকের বিরুদ্ধে: অতপর থানায় মামলা


প্রকাশ : শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

রাশিয়ায় চাকরির লোভ দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রফিকের বিরুদ্ধে: অতপর থানায় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার :
রাশিয়ায় উচ্চ বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে যশোরের অভয়নগর উপজেলার এক যুবকের কাছ থেকে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোঃ ইমন হোসেন অভয়নগর থানায় প্রতারক মোঃ রফিকের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার সিঙ্গাড়ি গ্রামের মোঃ সোহরাব মোল্লার ছেলে মোঃ ইমন হোসেনকে রাশিয়ায় ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মধ্যপুর গ্রামের পিতা তাইজুল ইসলাম মাতা রৌফন বেগমের ছেলে মোঃ রফিক ১১ লক্ষ টাকা নেয়। তিন মাসের মধ্যে ভিসা ও টিকিট করে বিদেশ পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে রফিক নগদ ৯ লক্ষ টাকা,এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের  ১৬৩৭৪৮৫০১৪৭৫ নম্বর একাউন্টের মাধ্যমে আরও ২
 লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। টাকার জামানত হিসেবে রফিক ইউসিবি ব্যাংকের ১৬৪৫৬২৯ নম্বর একটি চেক ইমনকে প্রদান করে।

কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও ইমনকে বিদেশ পাঠানো হয়নি। টাকা ফেরত চাইলে রফিক বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকে। গত ৮ ই জুন ২০২৬ তারিখে ইস্যু করা চেকটি ইমন ইউসিবি ব্যাংকের নওয়াপাড়া শাখায় জমা দিলে "অপর্যাপ্ত তহবিল" মন্তব্যে চেকটি ডিজঅনার হয়।

ভুক্তভোগী ইমন হোসেন জানান, "আমার কষ্টার্জিত ১১ লক্ষ টাকা নিয়ে সে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, রাশিয়ায় চাকরির কথা বলে সে এলাকার আরও অনেকের কাছ থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমরা সবাই প্রতারিত হয়েছি।"

এ ঘটনায় ইমন হোসেন বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬ ধারা এবং এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা রুজুর জন্য এজাহার দাখিল করেছেন। এজাহারে বিবাদী মোঃ রফিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এ স্থানিয়োদের ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চেক ডিজঅনারের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

বিষয় : দূর্নীতি অপরাধ

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


রাশিয়ায় চাকরির লোভ দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রফিকের বিরুদ্ধে: অতপর থানায় মামলা

প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

featured Image

স্টাফ রিপোর্টার :
রাশিয়ায় উচ্চ বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে যশোরের অভয়নগর উপজেলার এক যুবকের কাছ থেকে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোঃ ইমন হোসেন অভয়নগর থানায় প্রতারক মোঃ রফিকের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার সিঙ্গাড়ি গ্রামের মোঃ সোহরাব মোল্লার ছেলে মোঃ ইমন হোসেনকে রাশিয়ায় ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মধ্যপুর গ্রামের পিতা তাইজুল ইসলাম মাতা রৌফন বেগমের ছেলে মোঃ রফিক ১১ লক্ষ টাকা নেয়। তিন মাসের মধ্যে ভিসা ও টিকিট করে বিদেশ পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে রফিক নগদ ৯ লক্ষ টাকা,এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের  ১৬৩৭৪৮৫০১৪৭৫ নম্বর একাউন্টের মাধ্যমে আরও ২
 লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। টাকার জামানত হিসেবে রফিক ইউসিবি ব্যাংকের ১৬৪৫৬২৯ নম্বর একটি চেক ইমনকে প্রদান করে।

কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও ইমনকে বিদেশ পাঠানো হয়নি। টাকা ফেরত চাইলে রফিক বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকে। গত ৮ ই জুন ২০২৬ তারিখে ইস্যু করা চেকটি ইমন ইউসিবি ব্যাংকের নওয়াপাড়া শাখায় জমা দিলে "অপর্যাপ্ত তহবিল" মন্তব্যে চেকটি ডিজঅনার হয়।

ভুক্তভোগী ইমন হোসেন জানান, "আমার কষ্টার্জিত ১১ লক্ষ টাকা নিয়ে সে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, রাশিয়ায় চাকরির কথা বলে সে এলাকার আরও অনেকের কাছ থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমরা সবাই প্রতারিত হয়েছি।"

এ ঘটনায় ইমন হোসেন বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬ ধারা এবং এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা রুজুর জন্য এজাহার দাখিল করেছেন। এজাহারে বিবাদী মোঃ রফিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এ স্থানিয়োদের ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চেক ডিজঅনারের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
রাশিয়ায় চাকরির লোভ দেখিয়ে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রফিকের বিরুদ্ধে: অতপর থানায় মামলা
0:00 / 0:00
1x