নওমুসলিমকে বিয়ে করে বিবাহ করে তার সর্বস্ব লুটে পালিয়েছে ইসা রুহুল্লা ও তার পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের মোল্লাহাট ঘোষগাতি গ্রামে।
অভিযুক্ত ইসা রুহুল্লা (১৭) বাগেরহাটের মোল্লাহাটের ঘোসগাতি গ্রামের বাসিন্দা নজরুল বিশ্বাস ওরফে নজুর ছেলে।
এদিকে অভিযোগকারী বগুড়ার গাবতলির উপজেলার হাতি বন্ধা গ্রামের বাসিন্দা শ্রীঃ রঞ্জিত ঘোষ ও শ্রীমতি শিপ্রা রাণী দম্পতির মেয়ে শ্রীমতি চম্পা কুমারী, বর্তমান নাম খাদিজা জানান, এই ঈসা রুহুল্লা ঢাকায় থাকতেন এবং তার সঙ্গে টিকটকে পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে ঐ নারী ঈসা রুহল্লার বাসায় আসেন এবং দুইজন ধর্মীয় মতে বিবাহ করে ছয় মাস পর তাকে রেখে পালিয়ে যান।
কিন্তু একদিন এই ঈসা রুহুল্লার মামাতো ভাইয়ের টিকটক আইডি থেকে তার ঐ মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে ঐ ঈসা রুহুল্লার বাড়িতে আসেন।
তাদের বাড়িতে আসলে মেয়েটিকে হিন্দু ধর্ম থেকে কোর্ট এফিডেভিট-এর মাধ্যমে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করান এবং তাকে বিবাহ করেন।
পরে বিভিন্ন কৌশলে মেয়েটির কাছে থাকা স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ টাকা-পয়সা সব এই ছেলে তার কাছ থেকে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। তারপর মেয়েটির উপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করেন।
এক পর্যায়ে তারা তাকে ঘর থেকে নেমে যেতে বলেন।
কিন্তু সে না নামতে চাওয়ায় তাকে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা দিয়া সকলেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
খাদিজার এখন তার চাচা শ্বশুরের আশ্রয় রয়েছেন।
খাদিজা আরো জানান, ঈসা রুহুল্লার পরিবার তার কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে জোর পূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনতা মোল্লাহাট থানার অফিসার ইন-চার্জ কাজী রমজানুল হকের নিকট দেখা করে বিষয়টি জানান এবং এর একটা সুরাহা করার অনুরোধ করেন। তবে, এ বিষয়ে এ বিষয়ে ঈসা রুহুল্লার পিতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছুই বলতে রাজি হননি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
নওমুসলিমকে বিয়ে করে বিবাহ করে তার সর্বস্ব লুটে পালিয়েছে ইসা রুহুল্লা ও তার পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের মোল্লাহাট ঘোষগাতি গ্রামে।
অভিযুক্ত ইসা রুহুল্লা (১৭) বাগেরহাটের মোল্লাহাটের ঘোসগাতি গ্রামের বাসিন্দা নজরুল বিশ্বাস ওরফে নজুর ছেলে।
এদিকে অভিযোগকারী বগুড়ার গাবতলির উপজেলার হাতি বন্ধা গ্রামের বাসিন্দা শ্রীঃ রঞ্জিত ঘোষ ও শ্রীমতি শিপ্রা রাণী দম্পতির মেয়ে শ্রীমতি চম্পা কুমারী, বর্তমান নাম খাদিজা জানান, এই ঈসা রুহুল্লা ঢাকায় থাকতেন এবং তার সঙ্গে টিকটকে পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে ঐ নারী ঈসা রুহল্লার বাসায় আসেন এবং দুইজন ধর্মীয় মতে বিবাহ করে ছয় মাস পর তাকে রেখে পালিয়ে যান।
কিন্তু একদিন এই ঈসা রুহুল্লার মামাতো ভাইয়ের টিকটক আইডি থেকে তার ঐ মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে ঐ ঈসা রুহুল্লার বাড়িতে আসেন।
তাদের বাড়িতে আসলে মেয়েটিকে হিন্দু ধর্ম থেকে কোর্ট এফিডেভিট-এর মাধ্যমে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করান এবং তাকে বিবাহ করেন।
পরে বিভিন্ন কৌশলে মেয়েটির কাছে থাকা স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ টাকা-পয়সা সব এই ছেলে তার কাছ থেকে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। তারপর মেয়েটির উপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করেন।
এক পর্যায়ে তারা তাকে ঘর থেকে নেমে যেতে বলেন।
কিন্তু সে না নামতে চাওয়ায় তাকে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা দিয়া সকলেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
খাদিজার এখন তার চাচা শ্বশুরের আশ্রয় রয়েছেন।
খাদিজা আরো জানান, ঈসা রুহুল্লার পরিবার তার কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে জোর পূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনতা মোল্লাহাট থানার অফিসার ইন-চার্জ কাজী রমজানুল হকের নিকট দেখা করে বিষয়টি জানান এবং এর একটা সুরাহা করার অনুরোধ করেন। তবে, এ বিষয়ে এ বিষয়ে ঈসা রুহুল্লার পিতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছুই বলতে রাজি হননি।
