নিহত নুজসাত জাহান রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং নগরীর খলিফাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অপরাধে নিহতের সাবেক প্রাইভেট শিক্ষক ও রংপুর মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন (২৪)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৪ জুন দুপুরে হোটেল নর্থ ভিউয়ের পেছনের গলিতে হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনতে পান তারা। শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পান, এক তরুণী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিআইডির একটি ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ হোটেলটির সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ ও রেজিস্টার খাতা জব্দ করেছে এবং যে কক্ষটিতে তারা অবস্থান করছিলেন, সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন নিহত নুজসাত জাহানের সাবেক প্রাইভেট শিক্ষক ছিলেন। তারা দুজনে ২৪ জুন, বুধবার সকালে হোটেল নর্থ ভিউতে এসেছিলেন। একপর্যায়ে হোটেলের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান নুজসাত। এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান:
"আমরা খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আসি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।"
এদিকে একজন মেধাবী এইচএসসি পরীক্ষার্থীর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও রহস্যজনক মৃত্যুতে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সহপাঠী এবং খলিফাপাড়া এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের family এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
নিহত নুজসাত জাহান রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং নগরীর খলিফাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অপরাধে নিহতের সাবেক প্রাইভেট শিক্ষক ও রংপুর মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন (২৪)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৪ জুন দুপুরে হোটেল নর্থ ভিউয়ের পেছনের গলিতে হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনতে পান তারা। শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পান, এক তরুণী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিআইডির একটি ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ হোটেলটির সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ ও রেজিস্টার খাতা জব্দ করেছে এবং যে কক্ষটিতে তারা অবস্থান করছিলেন, সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন নিহত নুজসাত জাহানের সাবেক প্রাইভেট শিক্ষক ছিলেন। তারা দুজনে ২৪ জুন, বুধবার সকালে হোটেল নর্থ ভিউতে এসেছিলেন। একপর্যায়ে হোটেলের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান নুজসাত। এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান:
"আমরা খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আসি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।"
এদিকে একজন মেধাবী এইচএসসি পরীক্ষার্থীর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও রহস্যজনক মৃত্যুতে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সহপাঠী এবং খলিফাপাড়া এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের family এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
