রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ঘোড়ার গাড়িতে গ্রাম ভ্রমণ, ৩ হাজার মিষ্টি বিতরণ

নাতি হওয়ার আনন্দে সিংড়ায় নানার ব্যতিক্রমী উল্লাস



নাতি হওয়ার আনন্দে সিংড়ায় নানার ব্যতিক্রমী উল্লাস

নিজের কোনো পুত্রসন্তান নেই, তাই একমাত্র মেয়ের ঘরে দীর্ঘ এক যুগ পর ছেলেসন্তানের জন্ম হওয়ায় আনন্দের কোনো সীমা রইল না নানার। আর এই বিশেষ আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে এক রাজকীয় ও ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করলেন তিনি। ৭ মাস বয়সী নাতিকে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে, ব্যান্ডপার্টির নাচ-গানের তালে তালে পুরো গ্রাম ঘুরিয়ে বিতরণ করলেন ৩ হাজার পিস মিষ্টি!
​ব্যতিক্রমী ও জমকালো এই ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে। জোড় মল্লিকা গ্রামের ওই নানার নাম মো. হান্নান। 

বুধবার (২৪ জুন)  সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পুরো এলাকাজুড়ে চলে এই আনন্দ উৎসব।

সরেজমিনে গিয়ে আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানাযায়, জোরমল্লিকা গ্রামের বাসিন্দা মো. হান্নানের নিজের কোনো পুত্রসন্তান নেই। তার একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনকে বিয়ে দিয়েছেন একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী শাহবাজপুর গ্রামে মনির হোসেনের সাথে। বিয়ের পর এই দম্পতির ঘরে প্রথমে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। এরপর কেটে যায় দীর্ঘ ১২টি বছর। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই দম্পতির ঘর আলো করে আসে এক পুত্রসন্তান।

​একমাত্র মেয়ের ঘরে দীর্ঘ এক যুগ পর নাতি আসায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় নানা মো. হান্নানের মনে। বর্তমানে নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনের বয়স ৭ মাস। নাতির এই আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতেই তিনি এই অভিনব উৎসবের উদ্যোগ নেন।

​বুধবার সকালে নানা হান্নান তার ৭ মাস বয়সী নাতি মুসালিনকে একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়ান। এরপর ব্যান্ডপার্টির ধুমধাম নাচ-গানের তালে তালে নিজ গ্রাম জোরমল্লিকা থেকে শুরু করে জামাতার গ্রাম শাহবাজপুর পর্যন্ত পুরো এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।
শিশুর মা পান্না খাতুন বলেন,
​"আমার প্রথম কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার দীর্ঘ ১২ বছর পর আল্লাহ আমাকে পুত্রসন্তান দিয়েছেন। আমার ছেলে হওয়ার আনন্দে আমার বাবা ঘোড়ার গাড়িতে করে পুরো গ্রাম ঘুরিয়ে এবং মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব করছেন। বাবার এই আনন্দ দেখে আমাদেরও খুব ভালো লাগছে। আপনারা সবাই আমার ছেলে-মেয়ে এবং আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।"

​নাতিকে নিয়ে উল্লাসিত নানা মো. হান্নান তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,
আমার নিজের কোনো ছেলে নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা আমার মেয়ের ঘরে একটি নাতি উপহার দিয়ে আমার মনের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ করেছেন। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করতেই আমি আমার আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসীদের নিয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করেছি।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


নাতি হওয়ার আনন্দে সিংড়ায় নানার ব্যতিক্রমী উল্লাস

প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

featured Image

নিজের কোনো পুত্রসন্তান নেই, তাই একমাত্র মেয়ের ঘরে দীর্ঘ এক যুগ পর ছেলেসন্তানের জন্ম হওয়ায় আনন্দের কোনো সীমা রইল না নানার। আর এই বিশেষ আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে এক রাজকীয় ও ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করলেন তিনি। ৭ মাস বয়সী নাতিকে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে, ব্যান্ডপার্টির নাচ-গানের তালে তালে পুরো গ্রাম ঘুরিয়ে বিতরণ করলেন ৩ হাজার পিস মিষ্টি!
​ব্যতিক্রমী ও জমকালো এই ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে। জোড় মল্লিকা গ্রামের ওই নানার নাম মো. হান্নান। 

বুধবার (২৪ জুন)  সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পুরো এলাকাজুড়ে চলে এই আনন্দ উৎসব।

সরেজমিনে গিয়ে আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানাযায়, জোরমল্লিকা গ্রামের বাসিন্দা মো. হান্নানের নিজের কোনো পুত্রসন্তান নেই। তার একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনকে বিয়ে দিয়েছেন একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী শাহবাজপুর গ্রামে মনির হোসেনের সাথে। বিয়ের পর এই দম্পতির ঘরে প্রথমে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। এরপর কেটে যায় দীর্ঘ ১২টি বছর। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই দম্পতির ঘর আলো করে আসে এক পুত্রসন্তান।

​একমাত্র মেয়ের ঘরে দীর্ঘ এক যুগ পর নাতি আসায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় নানা মো. হান্নানের মনে। বর্তমানে নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনের বয়স ৭ মাস। নাতির এই আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতেই তিনি এই অভিনব উৎসবের উদ্যোগ নেন।

​বুধবার সকালে নানা হান্নান তার ৭ মাস বয়সী নাতি মুসালিনকে একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়ান। এরপর ব্যান্ডপার্টির ধুমধাম নাচ-গানের তালে তালে নিজ গ্রাম জোরমল্লিকা থেকে শুরু করে জামাতার গ্রাম শাহবাজপুর পর্যন্ত পুরো এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।
শিশুর মা পান্না খাতুন বলেন,
​"আমার প্রথম কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার দীর্ঘ ১২ বছর পর আল্লাহ আমাকে পুত্রসন্তান দিয়েছেন। আমার ছেলে হওয়ার আনন্দে আমার বাবা ঘোড়ার গাড়িতে করে পুরো গ্রাম ঘুরিয়ে এবং মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব করছেন। বাবার এই আনন্দ দেখে আমাদেরও খুব ভালো লাগছে। আপনারা সবাই আমার ছেলে-মেয়ে এবং আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।"

​নাতিকে নিয়ে উল্লাসিত নানা মো. হান্নান তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,
আমার নিজের কোনো ছেলে নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা আমার মেয়ের ঘরে একটি নাতি উপহার দিয়ে আমার মনের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ করেছেন। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করতেই আমি আমার আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসীদের নিয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করেছি।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নাতি হওয়ার আনন্দে সিংড়ায় নানার ব্যতিক্রমী উল্লাস
0:00 / 0:00
1x