রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফ'র সাফল্যের গল্প



সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফ'র সাফল্যের গল্প

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি:  

২০১৪ সালে তাঁর ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হ্যাশ ইনক্লুড একটি সরকারি প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু টেন্ডার ডকুমেন্ট কেনার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫০ দিরহাম, যা তখন তাঁর কাছে ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি মায়ের কাছে সাহায্য চান এবং মা তাঁকে সেই অর্থ ধার দেন।

আজ লতিফ মনে করেন, ওই ৩৫০ দিরহামই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। কারণ সেই ছোট সহায়তাই তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের পথ খুলে দেয়।

যদিও তাঁর UAE-র সঙ্গে পরিচয় শৈশব থেকেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে ২০০৮ সালে তিনি দুবাইয়ে ফিরে আসেন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু শুরুটা ছিল কঠিন। কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বা আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে নতুন জীবন শুরু করতে হয়।

প্রথমদিকে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে তিনি UAE-এর কর্মসংস্কৃতি, প্রতিযোগিতা এবং সুযোগের বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আবুধাবি ট্যুরিজম অথরিটির একটি প্রকল্পে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একটি ইভেন্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে যে এই দেশে ফলাফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে তাঁকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেও গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি তাঁকে নতুন করে শিখতে হয়েছে।

বর্তমানে লতিফ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির চেয়ে মানুষ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করেন।

তাঁর গল্প প্রমাণ করে, জীবনের বড় সাফল্য অনেক সময় ছোট একটি সুযোগ বা পরিবারের একজন মানুষের বিশ্বাস থেকেই শুরু হয়। ৩৫০ দিরহামের সেই ঋণ আজও তাঁর কাছে আস্থা, পরিশ্রম ও স্বপ্নপূরণের প্রতীক।

Image

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফ'র সাফল্যের গল্প

প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ণ

featured Image

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি:  

২০১৪ সালে তাঁর ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হ্যাশ ইনক্লুড একটি সরকারি প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু টেন্ডার ডকুমেন্ট কেনার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫০ দিরহাম, যা তখন তাঁর কাছে ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি মায়ের কাছে সাহায্য চান এবং মা তাঁকে সেই অর্থ ধার দেন।

আজ লতিফ মনে করেন, ওই ৩৫০ দিরহামই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। কারণ সেই ছোট সহায়তাই তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের পথ খুলে দেয়।

যদিও তাঁর UAE-র সঙ্গে পরিচয় শৈশব থেকেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে ২০০৮ সালে তিনি দুবাইয়ে ফিরে আসেন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু শুরুটা ছিল কঠিন। কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বা আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে নতুন জীবন শুরু করতে হয়।

প্রথমদিকে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে তিনি UAE-এর কর্মসংস্কৃতি, প্রতিযোগিতা এবং সুযোগের বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আবুধাবি ট্যুরিজম অথরিটির একটি প্রকল্পে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একটি ইভেন্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে যে এই দেশে ফলাফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে তাঁকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেও গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি তাঁকে নতুন করে শিখতে হয়েছে।

বর্তমানে লতিফ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির চেয়ে মানুষ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করেন।

তাঁর গল্প প্রমাণ করে, জীবনের বড় সাফল্য অনেক সময় ছোট একটি সুযোগ বা পরিবারের একজন মানুষের বিশ্বাস থেকেই শুরু হয়। ৩৫০ দিরহামের সেই ঋণ আজও তাঁর কাছে আস্থা, পরিশ্রম ও স্বপ্নপূরণের প্রতীক।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফ'র সাফল্যের গল্প
0:00 / 0:00
1x