রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধ: ওয়ারিশ সনদে বড় বোনের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধেকুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের কাকিরপাড়া এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকার (ওয়ারিশানা) নিয়ে একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সম্পত্তির অংশ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে এক পরিবারের চার ভাই তাদের আপন বড় বোনের নাম ওয়ারিশ সনদ থেকে বাদ দিয়েছেন।এ অভিযোগ করেছেন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কানুচর গ্রামের বাসিন্দা ও সাংবাদিক খলিফা গাজী নুরুল হক শাহ আল-মাইজভাণ্ডারী। তার দাবি, তার মা বিবি ফাতিমা ছিলেন মরহুম মো. ছেরাগ আলীর জ্যেষ্ঠ কন্যা। কিন্তু সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, তার নানার ওয়ারিশ সনদে তার মায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।জানা গেছে, মরহুম মো. ছেরাগ আলীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের কাকিরপাড়া গ্রামে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার তিন কন্যা ও চার পুত্র সন্তান ছিলেন। অভিযোগকারী গাজী নুরুল হক শাহ বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি তার নানা-নানির পরিবারে তিন কন্যা ও চার পুত্রের বিষয়টি জেনে আসছেন।তিনি বলেন, “দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানতে পারি, সরকারি ওয়ারিশ সনদে আমার নানার দুই মেয়ে ও চার ছেলের নাম রয়েছে। সেখানে আমার মা বিবি ফাতিমার নাম নেই। বিষয়টি আমাকে বিস্মিত করেছে।”তার অভিযোগ, পৈতৃক সম্পত্তির স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মায়ের নাম ওয়ারিশ সনদ থেকে বাদ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তিনি এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান।গাজী নুরুল হক শাহ আরও বলেন, “আমার মায়ের চার ভাই সমাজে সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু কী কারণে তাদের আপন বড় বোনকে উত্তরাধিকার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে বিষয়টির ন্যায়সঙ্গত সমাধান না হলে আইনগত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।”এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধ