মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রনি আহমেদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তরুণ ছাত্রনেতা মো. রনি আহমেদ। মামলা, হামলা, গ্রেফতারের ভয় এবং নানা রাজনৈতিক নিপীড়ন সহ্য করেও দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। তবে বিগত দিনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুললেও কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন না পাওয়ার আক্ষেপ রয়েছে এই ত্যাগী কর্মীর। বর্তমানে মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাকে দেখতে চান তার সমর্থকরা ।রনি আহমেদের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঢাকার মহাসমাবেশে পুলিশের দমন-পীড়নের মুখে নিজের জীবন বাজি রেখে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে পুলিশের তাড়া ও ঘেরাওয়ের মধ্যে দেয়াল টপকে কোনোমতে গ্রেফতার এড়িয়ে আত্মরক্ষা করেন। সমাবেশ-পরবর্তী সময়ে নিজ এলাকায় ফিরতে না পেরে নদী তীরবর্তী এক আত্মীয়ের বাড়িতে দীর্ঘ সময় ফেরারি ও কষ্টকর জীবনযাপন করতে হয়েছে তাকে।রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অল্প বয়সেই স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এই ছাত্রনেতা। নিজের পরিবার, মা-বাবা ও আত্মীয়-স্বজনদের ছেড়ে দূরে থাকার পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া কিংবা মাঠে খেলাধুলা করার সুযোগ থেকেও তিনি বঞ্চিত ছিলেন। এমনকি অসুস্থ আত্মীয়-স্বজনদের হাসপাতালে দেখতে যাওয়া বা এলাকার গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলেও রাজনৈতিক হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে তার সহযোগীদের। এত কিছুর পরও দলের নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি।বিগত দিনের নানা প্রতিকূলতা ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে তার সমর্থকরা জানান, মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে রাজপথের পরীক্ষিত ও সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজন।তার সমর্থকদের একটাই দাবি—বিগত দিনের জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে টিকে থাকা ত্যাগী ছাত্রনেতা মো. রনি আহমেদকে মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হোক। তাদের বিশ্বাস, তরুণ সমাজের প্রতীক তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে এগিয়ে নিতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে রনি আহমেদের মতো ত্যাগী নেতার বিকল্প নেই।