উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঈশ্বরদীতে ঋণের কিস্তি ও বকেয়া সার্ভিস চার্জের টাকা চাইতে গিয়ে ‘ওসাকা’ এনজিওর মাঠকর্মীর ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে হত্যার চেষ্টা এবং নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওসাকা এনজিওর উপ-ব্যবস্থাপক মো. শাহীন আলম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন।এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওসাকা এনজিওর আওতাপাড়া শাখার সঞ্চয়ী সদস্য নীলা খাতুন ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। চুক্তি অনুযায়ী ওই ঋণের বিপরীতে প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে সার্ভিস চার্জ দেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি নিয়মিত ওই সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করছিলেন না।রোববার সন্ধ্যায় এনজিওকর্মী তোফায়েল হোসেন বকেয়া সার্ভিস চার্জের টাকা চাইতে নীলা খাতুনের বাড়ির সামনে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়, নূর ইসলাম, হৃদয়, অনিষার, রবিউল প্রামাণিক, নীলা খাতুনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন লোহার রড, জিআই পাইপ, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে তোফায়েল হোসেনের ওপর হামলা করেন। তাকে এলোপাতাড়ি মারধরের পাশাপাশি নূর ইসলাম ও হৃদয় হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথায় গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তোফায়েল হোসেনকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হামলার সময় তোফায়েলের কাছে থাকা এনজিওর আদায় করা নগদ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এনজিও কর্তৃপক্ষ। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’