উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গ্যালারিতে উপচে পড়া দর্শক, মাঠজুড়ে উত্তেজনা আর গোলের সঙ্গে মুহুর্মুহু করতালি—এ যেন কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, তারুণ্যের শক্তি ও সম্ভাবনার এক মিলনমেলা। এমন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো আটদলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মা মারিয়ার শুভ জন্মদিন উপলক্ষে দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের হরিণটানা ত্রিমোহনী স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। ফাইনাল ম্যাচে বাজুয়া একাদশ ২-১ গোলে দিগরাজ একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।খেলা শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, “মানসিক বিকাশ ও শারীরিক উৎকর্ষ সাধনে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম।” খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও দলগত চেতনা তৈরি করে। একই সঙ্গে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন ও নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের মাধ্যমে তরুণদের মানবসম্পদে রূপান্তর করাই লক্ষ্য।ফাইনাল খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। বিকেলে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে দর্শকের ঢল নামে। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মাঠের চারপাশ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়রা আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে বাজুয়া একাদশের জয় নিশ্চিত হলে উল্লাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান খান, চালনা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোজাফফর হোসেন, চালনা পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আলামিন সানা, কৈলাশগঞ্জ বিএনপির সভাপতি বেণীমাধব বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দীপক কুমার সর্দার, আব্দুল কাদের মাস্টার, যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, গাজী ফয়সাল আলম, সাবেক ছাত্রদল নেতা আজাদ খান, যুবদল নেতা রতন রায়, গাজী তারেক, রবিউল ইসলাম মনা, পাপ্পু সাহাসহ অনেকে।টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি সবুজ দাসের সভাপতিত্বে আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি সুরঞ্জন দাস, হৃদয় দাস, রামপদ দাস, বিপ্লব দাস, ভবসিন্ধু দাস, তারাপদ দাসসহ আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।