উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর, হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে সমুদয়কাঠী এলাকাবাসী। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের, জামায়াত নেতা শফিকুলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুদের জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমুদয়কাঠী গ্রামের বাবু অক্ষয় আইচের কাছ থেকে জমি ক্রয়ের পর জামায়াত নেতা শফিকুল প্রায় তিন বিঘা জমি দখলে নেন এবং পরবর্তীতে আরও ১৫–২০ বিঘা জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বাড়ি, মন্দির, মঠ, ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন স্থাপনা ও শীতলা মন্দিরসহ কয়েকটি স্থাপনা ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, হিন্দু পরিবারের সদস্যরা এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তাদের উদ্দেশ্যে সাম্প্রদায়িক ও ভয়ভীতি সৃষ্টিকারী বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, শফিকুল নিজেকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াত সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার বাড়ির আশপাশে হিন্দুদের মঠ-মন্দির না রাখার কথা বলেছেন এবং চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সময় হিন্দু পরিবারগুলোর বসতবাড়িতে গিয়ে ফল-ফলাদি জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া, জমির সীমানায় বাঁশের খুঁটি স্থাপন করে জমি নিজের বলে দাবি করা এবং জমিতে প্রবেশ করলে পরিণতি ভোগ করতে হবে—এমন হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব অভিযোগের কারণে এলাকার অনেক হিন্দু পরিবার আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে তারা জানিয়েছেন।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগগুলোর সঙ্গে জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি, সীমানা নির্ধারণ, ধর্মীয় স্থাপনার মালিকানা এবং ভাঙচুরের ঘটনাসংক্রান্ত প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।