উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাগেরহাটের রামপালে বর্ষা মৌসুমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে বর্তমানে হাসপাতালে কতজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু হাসপাতালে রোগী ভর্তি ও চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সংক্রমণ ঠেকাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর।বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা ও পুরোনো টায়ারে জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করায় ঝুঁকি বাড়ছে।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য বলছে, রামপালে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্রমণের উৎস কতটা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে, সেটিই এখন বড় বিষয়।স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মশা নিধনের পাশাপাশি নিয়মিত প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে।ডেঙ্গুর উপসর্গ হিসেবে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ও পেশিতে ব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা দেখা দিতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।রামপালের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
চলতি বছর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪৫ জনের ডেঙ্গু চিকিৎসা নেওয়ার তথ্য পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরছে। এখন রোগী শনাক্তের পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশে এডিস মশার প্রজননস্থল কতটা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে, তার ওপরই নির্ভর করছে রামপালে ডেঙ্গু পরিস্থিতির পরবর্তী চিত্র।