উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কুলাউড়ার রাজনীতি ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ অধ্যাপক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুলাউড়া উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়ার সভাপতি এবং জিয়া পরিষদ ইউকের সভাপতি হিসেবে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও কুলাউড়াবাসীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন।দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত কুলাউড়ার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, এলাকার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাই তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম ভিত্তি বলে তাঁরা মনে করেন।গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েও তিনি মনোনয়ন পাননি। এরপরও দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকা তাঁর রাজনৈতিক আনুগত্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন তাঁর অনুসারীরা।ড. সাইফুল আলম চৌধুরীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন কুলাউড়াকে একটি পরিকল্পিত, শিক্ষাবান্ধব ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা—এমনটাই তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের বক্তব্য। তাঁদের মতে, শিক্ষা, সততা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে তিনি ভবিষ্যতে কুলাউড়ার উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।এ অবস্থায় আগামী কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করছেন, একজন শিক্ষিত, অভিজ্ঞ, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে ড. সাইফুল আলম চৌধুরীকে দলীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হলে কুলাউড়ার উন্নয়ন ও জনসেবায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের নীতিনির্ধারক মহলই নেবে। দলীয় মনোনয়ন বা নির্বাচনী সমর্থনের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক মূল্যায়ন, জনসমর্থন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সামগ্রিক পরিস্থিতিই গুরুত্বপূর্ণ হবে।কুলাউড়াবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচনে যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর সেই প্রত্যাশার আলোচনায় অধ্যাপক ড. সাইফুল আলম চৌধুরীর নামও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে।