উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সুনামগঞ্জে তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের অগ্রগতি জানতে গিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) দুই কর্মকর্তার হাতে অসদাচরণ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও আইনি সহায়তা চেয়ে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক মো. মোছাদ্দেক আলী। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা।অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন, সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমেদ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশীষ সিংহ।লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ে একটি তথ্য চেয়ে আবেদন করেন মো. মোছাদ্দেক আলী। পরে ৩ আগস্ট দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে আবেদনের অগ্রগতি জানতে তিনি অফিসে যান।অভিযোগকারীর দাবি, আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অশালীন ও আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। একপর্যায়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীনভাবে ‘নেশাগ্রস্ত’ বলে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এছাড়া কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া এবং তাঁর নামে থাকা বৈধ বিদ্যুৎ মিটারে সমস্যা সৃষ্টি ও লাইনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেন।ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে ভুক্তভোগী বলেন, ভবিষ্যতে আমার বিদ্যুৎ মিটারে বা লাইনে কোনো ঝামেলা বা ক্ষতি হলে তার জন্য এই কর্মকর্তারাই দায়ী থাকবেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশীষ সিংহ বলেন, তিনি তথ্যের জন্য আবেদন করেছেন। তবে তথ্য চাইলেই আমরা সরাসরি দিতে পারি না। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের তথ্য আমাদের জনসংযোগ ও পরিসংখ্যান অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তথ্য এলেই তাঁকে দেওয়া হবে।কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, উনাকে আমরা কোনো অপমানজনক কথা বলেছি বলে আমার জানা নেই।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে ৯ আগস্ট সুনামগঞ্জ পিডিবি কার্যালয়ে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমেদকে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, তিনি দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন। পরবর্তীতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।