উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় তিতাস গ্যাসের ৪ ইঞ্চি ব্যাসের ১,০০০ পিএসআইজি হাই-প্রেসার গ্যাস লাইনে অবৈধ সংযোগ দিয়ে একটি চুনা পাথর কারখানায় গ্যাস সরবরাহের অভিযোগে দুই জমির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপর এক আসামি, সংশ্লিষ্ট চুন ভাট্টার মালিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কটিয়াদী থানাধীন এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র তিতাস গ্যাসের হাই-প্রেসার পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ স্থাপন করে একটি চুনা পাথর কারখানায় গ্যাস ব্যবহার করছিল। অতিরিক্ত চাপের কারণে সংযোগস্থলে গ্যাস লিকেজ সৃষ্টি হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাষ্ট্রের মূল্যবান প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয়ও ঘটে।এ পরিস্থিতিতে গত ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানার নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে জোবিআই-কিশোরগঞ্জ, তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক অপারেশন বিভাগ এবং আঞ্চলিক প্রশাসন ও লিগ্যাল বিভাগ, ময়মনসিংহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল অংশ নেয়। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ গ্যাস সংযোগে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়।পরে অভিযোগের ভিত্তিতে ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কটিয়াদী থানায় বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জমির মালিককে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. সুলতান উদ্দিন আকন্দ (পিতা: মরহুম মো. আসাদুজ্জামান), গ্রাম: কাজীরচর, ডাকঘর: বৈরাগীর চর, উপজেলা: কটিয়াদী, জেলা: কিশোরগঞ্জ এবং মো. সুমন মিয়া (পিতা: মো. রেজাউল করিম), গ্রাম: কাজীরচর, থানা: কটিয়াদী, জেলা: কিশোরগঞ্জ।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, মামলার অপর আসামি ও সংশ্লিষ্ট চুন ভাট্টার মালিককে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এদিকে, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৫ আগস্ট লিকেজ মেরামতের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।