উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মালদ্বীপ সরকারকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের মৌসুমি আম প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সরকারি মালদ্বীপ সফরকে স্মরণীয় করে তুলতেই এই কূটনৈতিক শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়।বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ, ভ্রাতৃপ্রতিম ও আন্তরিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে এই উপহার আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান প্রটোকল কর্মকর্তা (ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল) জনাবা বাদুরা সাঈদের কাছে উপহারস্বরূপ আম হস্তান্তর করেন।বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত ও সুস্বাদু মৌসুমি আম উপহার প্রদান দুই দেশের মধ্যকার গভীর বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, আন্তরিকতা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের নিবিড় সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতিরও বহিঃপ্রকাশ।বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, এই শুভেচ্ছা উপহার মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ।বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে কূটনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শ্রম ও জনশক্তি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পর্যটন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। উভয় দেশই ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।বাংলাদেশ সরকার মালদ্বীপের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের অভিন্ন সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।