উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের থুতুরহাট গ্রামে তৃতীয় শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় রানা দাস (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত রানা দাস একই গ্রামের দাসপাড়ার বাসিন্দা এবং খোকন দাসের ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে গত ২১ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহাদেব কুমারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভিযুক্ত রানা দাসকে গ্রেফতার করা হয়। আজ বুধবার তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি থুতুরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৯ জুলাই সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সে বাড়ির বাইরে খেলতে বের হয়। এ সময় বাদীর চাচাতো দেবরের স্ত্রী শিশুটিকে অভিযুক্তের জন্য খাবারের থালা পৌঁছে দিতে বলেন।এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুটি খাবারের থালা নিয়ে অভিযুক্তের বসতঘরে প্রবেশ করলে অভিযুক্ত তাকে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন (ধর্ষণ) করে। পরে শিশুটি কান্নারত অবস্থায় ঘর থেকে বের হয়ে পরিবারের এক স্বজনকে বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মা কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের কাছ থেকে পুরো ঘটনা জানতে পারেন। এরপর মামলা দায়ের করেন।ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, আমি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মানিকদিহি গ্রামের একটি গ্রীস ফ্যাক্টরিতে কাজ করি। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানতে পারি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”ভুক্তভোগী শিশুর চাচা বলেন, ঘটনার সময় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। পরে বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাই।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মাহাদেব কুমার বলেন, এজাহার পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।