উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৭৩ হাজার টাকার ওষুধের গরমিল ধরা পড়েছে। ওষুধ ক্রয় কমিটির আকস্মিক অডিটে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের হিসাব মেলেনি। এ ঘটনায় মেডিকেল সেন্টারের ওষুধ সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ওষুধ ক্রয় কমিটির সভাপতি ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মেডিকেল সেন্টারে ওষুধ সংকটের অভিযোগ শুনে আসছি। তবে হিসাব করে দেখেছি, যে পরিমাণ অর্থের ওষুধ ক্রয় করা হয়েছে, তাতে সংকট হওয়ার কথা নয়। তাই আমি ওষুধের মজুদ অডিট করার নির্দেশ দিই এবং অডিটে গরমিল পাওয়া গেছে।
অডিটে দেখা যায়, অ্যালাট্রল ৪ হাজার ৬৪৫ পিস থাকার কথা থাকলেও স্টোরে একটিও পাওয়া যায়নি। এছাড়া এজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোসিন, প্যারাসিটামল, টিয়েমোনিয়াম, ফ্যামোটিডিন, নাপরন, অ্যানটানিল এবং ডমপেরিডোনসহ মোট ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল পাওয়া যায়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৩ হাজার ১০১ টাকা।
ওষুধ ক্রয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক সালেকুল ইসলাম জানান, আমার কাছে আগেও অভিযোগ এসেছিল যে খাতা-কলমে ওষুধ বিতরণের যে হিসাব দেখানো হয়, বাস্তবে তা সঠিকভাবে বিতরণ হয় না। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেব এবং প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।