উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গত বছরের ২১শে জুলাই ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও অন্তর্বর্তী সরকার তা এখনো প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনের একটি মাত্র সিঁড়ি বা বের হওয়ার পথ থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম তার প্রথম একক ফ্লাইট পরিচালনা করছিলেন। বিমানটি যখন বাঁক নিচ্ছিল, তখন হঠাৎ ব্যাংকিং অ্যাঙ্গেল বেড়ে যায় এবং ক্রিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল অব অ্যাটাক অতিক্রম করায় বিমানটি স্টলড কন্ডিশনে চলে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়। বিমান বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্তে বিমানের উইন্ড-শিল্ডে একটি কালো দাগ পাওয়া গেছে, যা কোনো পাখির আঘাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের তত্ত্বাবধানের অভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও বিমানটির কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের সুনির্দিষ্ট প্যাকেজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।