উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দীর্ঘদিনের অবহেলা, কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে পড়া দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী খোজারখলা পুকুরে শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত উদ্ধার অভিযান। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে আধুনিক উইড হারভেস্টার মেশিনের মাধ্যমে পুকুরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি কচুরিপানায় ঢেকে থাকায় পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ এবং মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগও বাড়তে থাকে। অবশেষে পুকুরটি পুনরুদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এলাকাজুড়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে।উদ্ধার অভিযান পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "কারও দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছি। খোজারখলা পুকুর পরিষ্কার, প্রয়োজনীয় খনন এবং এর হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে যা যা দরকার, সবই করা হবে।" তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে পুকুরের চারপাশে হাঁটার পথ, নিরাপত্তা রেলিং এবং একটি মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, খোজারখলা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আজমল আলী, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমদ, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইকবাল কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোশাইদ আহমদ, সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ খোজারখলা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।বহুদিন পর পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, চলমান এই উদ্যোগের মাধ্যমে খোজারখলা পুকুর ফিরে পাবে তার হারানো সৌন্দর্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং প্রাণচাঞ্চল্য। পাশাপাশি এটি এলাকাবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হবে।