উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জুনের মাঝামাঝি কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও, দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্পেন। গ্রুপ পর্বে সৌদি আরব ও উরুগুয়েকে হারিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দেয় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ ৩২-এ অস্ট্রিয়াকে অনায়াসে হারিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে লা রোজারা।
টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে মিকেল মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় স্পেন। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলী পরিকল্পনায় ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে তারা। ইয়ামাল, পেদ্রি ও উইলিয়ামসের মতো তরুণদের নিয়ে গড়া দলটি পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে।
নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেন। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগই দেয়নি তারা। অবশেষে ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলটি স্পেনকে তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেয়।
টুর্নামেন্ট জুড়ে ৩৮ ম্যাচে অপরাজিত থাকা স্পেনের সাফল্যের পেছনে ছিল তাদের তারুণ্যনির্ভর স্কোয়াড। ২৬.১৯ গড় বয়সের এই দলটি অভিজ্ঞতার চেয়ে তারুণ্যের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ইয়ামাল ও কুবারসির মতো উদীয়মান তারকাদের নিয়ে আগামী বছরগুলোতেও বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার লক্ষ্য স্পেনের।