উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গত পাঁচ বছরে অনূর্ধ্ব-১৭ থেকে শুরু করে সিনিয়র পর্যায় পর্যন্ত স্পেন বিশ্ব ও ইউরোপীয় ফুটবলে মোট ১৬টি শিরোপা জয় করেছে। পুরুষ দল ২০২৩ সালে নেশনস লিগ এবং ২০২৪ সালে অলিম্পিক স্বর্ণপদক জেতার পাশাপাশি ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে। অন্যদিকে, নারী দল ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা দুইবার নেশনস লিগের শিরোপা নিজেদের দখলে নিয়েছে।
স্প্যানিশ ফুটবল বিশেষজ্ঞ গিয়েম বালাগের মতে, এটি কেবল সাফল্য নয়, বরং এক অদম্য আধিপত্য। ২০১০ সালের মতো এবারও ইউরো জয়ের দুই বছর পর বিশ্বকাপ জিতে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। স্পেনের এই জয়ের ধারা কেবল বর্তমানের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্যও এক অসাধারণ ভিত্তি তৈরি করেছে।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে লুইস দে লা ফুয়েন্তেকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ছিল এক ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কোনো বড় ক্লাব পরিচালনার অভিজ্ঞতা না থাকলেও, যুব দলের কোচ হিসেবে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দলকে দারুণভাবে সাহায্য করেছে। তার অধীনে স্পেন বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছে।
স্পেনে নারী ফুটবলের চিত্র গত এক দশকে নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং একাডেমি প্রতিষ্ঠার ফলে মেয়েরা এখন বিশ্বমঞ্চে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য পাচ্ছে। বর্তমানে স্পেনই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা একই সময়ে পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবারসির মতো তরুণ প্রতিভারা স্পেনের ভবিষ্যতের উজ্জ্বলতার জানান দিচ্ছে। বিশ্বকাপ ফাইনালে দুই কিশোর ফুটবলারকে খেলিয়ে স্পেন নতুন ইতিহাস গড়েছে। থিয়েরি অঁরি ও জো হার্টের মতো কিংবদন্তিদের মতে, স্পেনের এই ফুটবল কাঠামো এবং খেলার ধরন বর্তমানে বিশ্বের অন্য যেকোনো দলের চেয়ে যোজন এগিয়ে।