উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
লিওনেল মেসি আরও একবার ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে নিলেন। ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নামার সাথে সাথেই তিনি এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়লেন, যা ৯৬ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম। প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে তিনি তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরুর একাদশে খেলার বিরল কীর্তি স্থাপন করলেন।
এই রেকর্ড আগে থেকেই নিশ্চিত থাকলেও, সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মাঠে নামেন। এর আগে ব্রাজিলের কাফু তিনটি ফাইনালে খেললেও, সব ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন না। মেসির এই অর্জন তার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের মুকুটে যোগ করলো আরও একটি উজ্জ্বল পালক।
এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ১০১ দিন, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৬২ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ২১৬ দিন। সেবার ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতেছিল, যা থেকে আর্জেন্টিনা দল নিশ্চয়ই অনুপ্রেরণা খুঁজবে।
আর্জেন্টিনার আটজন খেলোয়াড় ২০২২ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালেও শুরুর একাদশে ছিলেন, যারা এই ফাইনালও শুরু করেছেন। তারা হলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রদ্রিগো দে পল, এনজো ফের্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি এবং হুলিয়ান আলভারেজ।
অন্যদিকে, স্পেনের লামিন ইয়ামালও একটি বিরল কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে। মাত্র ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলতে নামা তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় তিনি। তাঁর আগে আছেন কেবল দুজন: ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে ব্রাজিলের পেলে এবং ১৯৮২ সালে ১৮ বছর ২০১ দিন বয়সে ইতালির জিউসেপে বেরগোমি।
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা টিনএজ খেলোয়াড় মাত্র দুজন। একজন পেলে, যিনি ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন, এবং অন্যজন কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি ২০১৮ সালে ১৯ বছর ২০৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন। ইয়ামাল এই ম্যাচে গোল করলে এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে চলে আসবেন।