উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যেন তোষামোদির সংস্কৃতিতে না জড়ায়। তিনি বলেন, কেন জানি জাতিগতভাবে আমরা তোষামোদি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। গণমাধ্যম তোষামদি করুক, সেটা আমরা চাই না।
রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এ আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন রাষ্ট্র নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মধ্য দিয়েই দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ তৈরি হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন কায়েম করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়, এটি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দলটি বিশ্বাস করে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে। ৩১ দফা, জুলাই সনদ ও জনগণের সঙ্গে করা অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি এখন আলোচনার রাজনীতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংসদীয় কমিটিতে অংশ নিয়ে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কারে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা করা উচিত এবং আলোচনার মাধ্যমেই জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব।
বিএনপি মহাসচিব আরও জানান, বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাবন্দি হয়েছেন, লাখ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং প্রায় ১ হাজার ৭০০ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। শহীদ ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকারের উদ্যোগ আরও কার্যকর ও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।