উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানাচ্ছে, স্বর্ণের বাজার অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় দামের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়তে সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর চেয়ারম্যান দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন।
স্বর্ণের দাম নির্ধারণে বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, ডলারের মূল্য ও চাহিদার মতো সূচকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হলে বৈশ্বিক আর্থিক ঝুঁকি বাড়বে, যা স্বর্ণের দাম আবার বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এই দাম কমার প্রবণতা স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।
বাজুসের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে স্বর্ণের দাম প্রথম লাখের ঘর স্পর্শ করে এবং এ বছরের জানুয়ারিতে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। জানুয়ারির পর থেকে এ পর্যন্ত ৯১ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৪৬ বার কমেছে। বর্তমানে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার এবং চীনা ব্যাংকগুলোর নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রভাব আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ দুই লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বর্ণ থেকে সরাসরি সুদ পাওয়া না গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি একটি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।