উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার ভয়াবহ প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দেশের বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার বাঁশখালীর গুনাগরী ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং পানিবন্দি অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি দুর্গতদের মাঝে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।"একেকটা বন্যা মানে বাংলাদেশের একেকটা দুঃখ। কিছু এলাকায় প্রায় প্রতি বছরই বন্যা লেগে থাকে। সমস্যা যেখানে আছে, সমাধানও সেখানে আছে। যদি সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক কোনো সরকার দেশ চালায়, তাহলে কোনো সমস্যাই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।"সাবেক শাসক ও আমলাদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তাদের অনেকেই জনগণের কথা না ভেবে নিজেদের স্বার্থের কথা চিন্তা করেছেন এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছেন। তিনি তাদের ‘দেশ ও জাতির শত্রু’ বলে আখ্যায়িত করেন।তিনি আরও বলেন, গ্রাম থেকে শুরু করে সচিবালয় পর্যন্ত— মেম্বার, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এমনকি কোনো কোনো প্রধানমন্ত্রীও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সবাইকে ঢালাওভাবে খারাপ না বললেও, তাদের একটি বড় অংশই ছিল মূলত ‘ডাকাত’, যারা দেশের সম্পদ দেদারসে লুটপাট করেছে।লুটপাট ও চাঁদাবাজিমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "আমরা স্পষ্ট ঘোষণা করছি, আমাদের যুদ্ধ সব ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সব ধরনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এবং সব ধরনের লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে।"দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে তিনি একটি বড় ঘোষণা দেন:নিহতদের পরিবারকে সহায়তা: বন্যায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারের হাতে আগামী তিন দিনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মাথাপিছু ৫০,০০০ টাকা করে তুলে দেওয়া হবে। জামায়াতের নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।পরিদর্শনকালে বিরোধীদলীয় নেতার সাথে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী উপস্থিত ছিলেন।