উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বন্দিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়, জামিন পাওয়া বন্দিদের নতুন করে শ্যোন অ্যারেস্টের হুমকি দিয়ে হাজার হাজার টাকা আদায়, সাক্ষাৎ, সিট বরাদ্দ ও চিকিৎসার জন্যও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের তীর কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারারক্ষীদের বিরুদ্ধে। জীবননগরের আব্দুল মজিদ সরকার অভিযোগ করেন, হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরও কারামুক্ত হতে তাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এই টাকা কারাগারের সুবেদার বাদশার পরিবারের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে লেনদেন হয়েছে। একইভাবে কুষ্টিয়ার বন্দি মামুন-অর রশিদের কাছ থেকে ৭৬ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অন্যান্য বন্দি ও স্বজনদের অভিযোগ, কারাগারে সাক্ষাৎ, সিট বরাদ্দ ও চিকিৎসার জন্যও নিয়মিত অবৈধ লেনদেন হয়। জামিনের পরও মুক্তির জন্য অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ কারা অধিদফতরের মহাপরিদর্শক পর্যন্ত গড়িয়েছে। ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জেলা কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।কারা সূত্র জানায়, নানা অনিয়মে জর্জরিত এই কারাগারে গড়ে বন্দির সংখ্যা ৬০০।