উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উদযাপিত হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। বর্ণিল আলোকসজ্জা আর চমৎকার মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই দিনটিকে বরণ করে নেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি তার বক্তব্যে ঐতিহাসিক এই ক্ষণের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, "১৭৭৬ সালের ৪ঠা জুলাই আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা ঘোষণা করেছিলেন 'সকল মানুষ সমান'। আর আজ আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতির আলোকেই আমরা বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা টেনে রাষ্ট্রদূত আরও যোগ করেন যে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেকসই নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা আগামী দিনে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।অনুষ্ঠানটি দুই দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:ককাস সদস্যবৃন্দ, সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং সংসদ সদস্যগণ।মার্কিন দূতাবাসসহ অন্যান্য দেশের উচ্চপদস্থ কূটনৈতিকবৃন্দ। সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ।মনোজ্ঞ মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং টেকসই অংশীদারিত্বের এক নতুন বার্তা বহন করছে।