উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশে অতিরিক্ত ভ্যাট ও ট্যাক্সের কারণে সিগারেটের দাম বাড়তে থাকায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বিদেশি সিগারেটের চোরাচালান। চোরাকারবারিরা এর প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চট্টগ্রামের "শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর"। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট মিলছে বিদেশফেরত যাত্রীদের লাগেজে।বিগত ছয় মাসে বিমানবন্দরটিতে প্রায় ২৫ হাজার কার্টন সিগারেট এবং বিপুল পরিমাণ ই-সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দরে কোনো ফ্লাইট অবতরণ করলেই তল্লাশিতে মিলছে অবৈধ সিগারেটের চালান। কাস্টমস ও নিরাপত্তা কর্মীদের চোখ ফাঁকি দিতে যাত্রীদের লাগেজে করে ১০ থেকে ২০ কার্টন, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি সিগারেট বহন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন জানান, ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী বিদেশ থেকে সর্বোচ্চ "২০০ শলাকা (বা ১০ প্যাকেট)" সিগারেট আনতে পারেন। এর অতিরিক্ত যেকোনো পরিমাণ সিগারেট আইন অনুযায়ী সরাসরি জব্দ করা হয়।গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত মাত্র ৬ মাসেই মোট "২৪,৩৬৪ কার্টন" সিগারেট জব্দ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।মাসভিত্তিক জব্দের পরিমাণ নিচে দেওয়া হলো:ডিসেম্বর-৬,৫৪২ (সর্বোচ্চ)জানুয়ারি-১,৯৯৭ ফেব্রুয়ারি-৪,৩৩৪ মার্চ-১,৪৫৬ এপ্রিল-৪,১৯১ মে-৫,৮৪৪ বিদেশ ফেরত যাত্রীদেরচট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, কাস্টমস গোয়েন্দা সংস্থা এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) সদস্যরা বিমানবন্দরে অত্যন্ত তৎপর রয়েছেন।তিনি বলেন, বিভিন্ন গোপন গোয়েন্দা তথ্য এবং বিমানবন্দরে স্ক্যানিংয়ের পরিমাণ বাড়ানোর কারণেই এই বিপুল পরিমাণ চোরাচালানকৃত সিগারেট জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। এই কঠোর নজরদারির ফলে একদিকে যেমন অপরাধীদের তৎপরতা নস্যাৎ হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।