উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত একটি ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে সার্বিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, জাল ওয়ার্ক পারমিট প্রদর্শন এবং পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেল ঢালী মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ মে ২০২৬ তারিখে সার্বিয়ায় চাকরির উদ্দেশ্যে মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ড্রিমফুল ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।
এ সময় এজেন্সির সিনিয়র ম্যানেজার পরিচয়দানকারী জিনিয়া ইসলাম তার পাসপোর্ট গ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক খরচ বাবদ ১ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
পরে একটি ওয়ার্ক পারমিট দেখিয়ে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, যাচাই-বাছাই করে তিনি ওয়ার্ক পারমিটটি ভুয়া বলে জানতে পারেন।
এরপর টাকা ও পাসপোর্ট ফেরত চাইলে এজেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি যদি সার্বিয়া যেতে অনিচ্ছুক হন , তাহলে ৭০০ ইউরো কেটে রাখবেন বলে জানান।
তবে এতে রাজি না হয়ে সোহেল ঢালী তার জমা দেওয়া সম্পূর্ণ অর্থ ও পাসপোর্ট ফেরত দাবি করেন।
অভিযোগকারী সোহেল ঢালী জানান, বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে উভয় পক্ষের থেকে কোন ধরনের এগ্রিমেন্ট বা স্টাম্প করা হয়নি।
সোহেল ঢালী আরো বলেন আমি অফিসে নিয়ে গিয়েও কোন রকমের ভাবে কোন এগ্রিমেন্ট করাতে পানি নাই। সোহেল ঢালী আরো বলেন, আমি নিজে গিয়ে স্টাম্প নিয়ে আসি, তারপরও করেননি। এই নিয়ে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানতে সাংবাদিক আল-আমিন আবির ও সরদার নাছির আহমেদ সরেজমিনে ট্রাভেল এজেন্সিতে যান।
সেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হলে তারাও ৭০০ ইউরো কর্তনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজেদের পরিচিত সাংবাদিক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেন।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডারও সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, অভিযোগকারী প্রতারণা, জালিয়াতি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পাসপোর্ট আটকে রাখার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।সূত্র: sorejominbarta.com